বিষয়বস্তুর দিকে


বিজয়ী নির্বাচন


প্রথম পর্যায়: ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রস্তাব

প্রতিযোগিতার সূচনাতেই ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রতি ১৪টি ভাষার সব ক’টি বিভাগে সম্ভাব্য বিজয়ীদের নাম প্রস্তাব করতে আহ্বান জানানো হয়৷ এক্ষেত্রে লক্ষ্যণীয় হচ্ছে:

  • ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা শুধু প্রতিযোগিতার ১৪টি ভাষায় ওয়েবসাইট মনোনয়ন করতে পারবেন৷ এগুলো হচ্ছে: আরবি, বাংলা, চীনা, জার্মান, ইংরেজি, ফরাসি, হিন্দি, ইন্দোনেশীয়, ফার্সি, পর্তুগিজ, রুশ, স্প্যানিশ, তুর্কি এবং ইউক্রেনীয়৷
  • নিজের নাম প্রস্তাব করতে কোনো বাধা নেই
  • ওয়েবসাইটটি অবশ্যই সকলের জন্য উন্মুক্ত হতে হবে
  • ডয়চে ভেলের কোনো ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানটির কোনো সদস্য এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবেন না৷
  • জুরীমণ্ডলীর সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি বা ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত ওয়েবসাইট এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না৷
  • বর্ণবাদী, পর্নগ্রোফিক, যৌনবৈষম্যবাদী, বিদেশিবিদ্বেষী, ইহুদিবিদ্বেষী, বৈষম্যমূলক বা অপমানজনক বিষয়বস্তুযুক্ত ওয়েবসাইট এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না৷ ধর্মীয় মৌলবাদ, বিদ্বেষ ছড়ানো, রাজনৈতিক উগ্রবাদ এবং সহিংসতার আহ্বান জানাচ্ছে এমন ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য৷
  • ডয়চে ভেলের কর্মীরা এবং জুরিমণ্ডলীর সদস্যরা প্রতিযোগিতায় নাম প্রস্তাব করতে পারবেন৷
  • একজন প্রতিযোগীর নাম অনেকে প্রস্তাব করলে সেই প্রতিযোগীর জেতার সম্ভাবনা বাড়বে না৷ একটির সঙ্গে অন্যটির কোনো সম্পর্ক নেই৷

দ্বিতীয় পর্যায়: জুরিমণ্ডলী চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের নির্ধারণ করবেন

এই পর্যায়ে প্রত্যেক জুরি-সদস্য তাঁর নিজের ভাষায় যে সমস্ত প্রতিযোগীর নাম প্রস্তাব করা হয়েছে, তাদের একটি সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন৷ প্রতিটি ভাষার জন্য একজন জুরি-সদস্য আছেন৷ সেই জুরি-সদস্য সংশ্লিষ্ট ভাষাভিত্তিক বিভাগে পাঁচজন চূড়ান্ত প্রতিযোগী নির্ধারণ করবেন৷ জুরি-সদস্যরা প্রতিযোগিতায় তাঁদের নিজেদের মনমতো প্রতিযোগীর নামও প্রস্তাব করতে পারেন৷

একইসঙ্গে ভাষা-নিরপেক্ষ তিনটি আন্তর্জাতিক বিভাগের জন্যও চূড়ান্ত প্রতিযোগী নির্ধারণ করবেন জুরি-সদস্য৷ অর্থাৎ প্রতিযোগিতার যে সব বিভাগে সব ভাষা মিলিয়ে প্রতিযোগিতা, সেখানে এক একটি ভাষার জুরি-সদস্য মাত্র একজন চূড়ান্ত প্রতিযোগী নির্বাচন করতে পারবেন, অর্থাৎ ১৪টি ভাষা মিলিয়ে একেকটি ভাষা-নিরপেক্ষ বিভাগে ১৪ জন চূড়ান্ত প্রতিযোগী হবে৷ কোনো জুরি-সদস্য যদি কোনো বিভাগে কোনো চূড়ান্ত প্রতিযোগী পাঠাতে না চান, তাহলে অপর কোনো ভাষা থেকে আরো একজনের নাম উঠে আসবে৷

‘দ্য বব্স’ টিমে প্রত্যেক ভাষার জন্য সেই ভাষা যাঁর মাতৃভাষা, ডয়চে ভেলের এমন কোনো সম্পাদককে রাখা হয়েছে৷ এই সম্পাদকের কাজ হলো, সেই ভাষার জুরি-সদস্য এবং অপরাপর জুরি-সদস্যকে ঐ ভাষা, তার প্রতিযোগী এবং ওয়েবসাইট ইত্যাদি সম্পর্কে নানা প্রশ্নে সহায়তা করা৷ তবে প্রতিটি ভাষার জুরি-সদস্য সম্পূর্ণভাবে স্বাধীন এবং স্বাধীনভাবে চূড়ান্ত প্রতিযোগী নির্বাচন করেন৷

তৃতীয় পর্যায়: অনলাইন ভোট এবং জুরি বৈঠক

চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে ‘ইউজাই প্রাইজ’ বিজয়ী নির্ধারণের দায়িত্ব ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের৷ তাঁদের ভোটে বিভিন্ন বিভাগে ‘ইউজাই প্রাইজ’ বিজয়ীরা নির্ধারিত হবে৷ তবে লক্ষ্যণীয় হচ্ছে:

  • বিভিন্ন ভাষার জুরি-সদস্যরা প্রতিটি বিভাগে চূড়ান্ত প্রতিযোগীদের নাম নির্ধারণ করার পরেই ভোটপর্ব শুরু হবে৷
  • প্রতিটি বিভাগে প্রতি ২৪ ঘণ্টায় মাত্র একবার ভোট দেওয়া সম্ভব৷
  • নিজেকে ভোট দেওয়া যাবে৷
  • অনলাইন ভোটের মাধ্যমে ১৭টি বিভাগে ‘পিপলস চয়েস’ বা ‘ইউজার প্রাইজ’ বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে৷ আন্তর্জাতিক জুরিরা প্রথম তিনটি ভাষা নিরপেক্ষ বিভাগে ‘জুরি অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী নির্ধারণ করবেন৷

‘জুরি অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী নির্ধারণের জন্য জুরি-সদস্যরা ডয়চে ভেলের আমন্ত্রণে বার্লিনে একটি সম্মেলনে মিলিত হবেন৷ কোনো জুরি-সদস্য যদি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তবে ডয়চে ভেলের সংশ্লিষ্ট বব্স-সম্পাদক তাঁর স্থান নেবেন এবং ঐ জুরি-সদস্যের নির্দেশনা অনুযায়ী বক্তব্য উপস্থাপন করবেন৷ জুরিমণ্ডলী শুধুমাত্র ভাষা-নিরপেক্ষ বিভাগগুলোর বিজয়ী নিয়েই আলোচনা করবেন এবং সিদ্ধান্ত নেবেন৷ জুরিমণ্ডলীর সভাপতিত্ব করবেন ডয়চে ভেলের একজন কর্মকর্তা, তবে তাঁর কোনো নিয়মিত ভোট থাকবে না৷

শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক জুরির ভোটের অধিকার থাকবে৷ এই জুরি প্রয়োজনে একাধিকবার ভোট নিয়ে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বিজয়ী নির্ধারণ করবে৷ দু’পক্ষে সমান ভোট পড়লে, একমাত্র সেক্ষেত্রেই সভাপতির ভোটে নিষ্পত্তি হবে৷

প্রতিটি বিভাগে প্রত্যেক জুরি-সদস্য বাকি জুরি-সদস্যদের সামনে তাঁর মনোনীত প্রতিযোগী এবং ওয়েবসাইটের উপস্থাপনা করবেন৷ সব প্রতিযোগী এভাবে পরিবেশিত হওয়ার পরে প্রথমবার ভোট অনুষ্ঠিত হবে৷ এতে যে তিনজন প্রতিযোগী সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়েছে, তাদের নিয়ে আলোচনা হবে এবং শেষ দু’জন প্রতিযোগী নির্ধারণ করার জন্য আরো একবার ভোট হবে৷ শেষ আলোচনাপর্বের পর একটি শেষ ভোটে চূড়ান্ত বিজয়ী নির্বাচন করা হবে৷

‘বাকস্বাধীনতা’ বা ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ অ্যাওয়ার্ডটি দেবে ডয়চে ভেলে৷

সকল বিজয়ীর নাম ঘোষণা কর হবে www.thebobs.com/bengali ওয়েবসাইটে৷