বিষয়বস্তুর দিকে


মাপকাঠি


জুরিমণ্ডলী যা দেখতে চান

একবার এক জুরি সম্মেলনে এক জুরি-সদস্য মনোযোগ দিয়ে অন্য কোনো একটি ভাষার ব্লগের কথা শুনছিলেন৷ হঠাৎ উৎসাহের তাড়নায় তিনি আসন ছেড়ে বলে ওঠেন, ‘‘আমি এই ব্লগের জন্য ভোট দেব৷ আমাদের দেশেও এই ধরনের ব্লগের প্রয়োজন আছে!’’

এই ছোট্ট, অথচ সত্য কাহিনির মর্মার্থ হচ্ছে, ডয়চে ভেলের ‘দ্য বব্স – বেস্ট অফ অনলাইন অ্যাক্টিভিজম’ অন্যান্য প্রতিযোগিতা থেকে কিছুটা আলাদা৷ বব্স শুরু থেকেই বহুভাষী, এই প্রতিযোগিতার জুরিমণ্ডলীর সদস্যরাও আন্তর্জাতিক এবং এটির উদ্দেশ্য হচ্ছে উচ্চমানের ব্লগগুলোকে ভাষা নির্বিশেষে উৎসাহ দেওয়া, বিজ্ঞাপিত এবং পুরস্কৃত করা৷

বিভাগ অনুযায়ী ব্লগের বিষয়বস্তু, উদ্দেশ্য এবং সেটির প্রচ্ছদকে বিভিন্নভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়ে থাকে৷ এক্ষেত্রে তিনটি দিক তুলে ধরা যেতে পারে:

মূল চিন্তা

  • আইডিয়া অথবা নতুন কোনো ধারণা ও তার বাস্তবায়ন; তথ্যের পরিমাণ
  • বিষয় এবং তার সামাজিক গুরুত্ব
  • গ্রাহকদের মনোগ্রাহী বাচনভঙ্গী, প্রত্যয় জন্মানোর ক্ষমতা
  • ভাষাশৈলী
  • দীর্ঘমেয়াদি এবং অবিচ্ছিন্ন কর্মকৃতি
  • স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাসযোগ্যতা

সৃজনশৈলী

  • ভিজুয়াল মৌলিকতা, আর্ট, ইন্টারনেট মাধ্যমটির সুযোগ্য ব্যবহার

নব্যতা

  • এক কথায় নতুনত্ব অথবা অনন্যতা

জুরিমণ্ডলীর সদস্যরা এই সাধারণ গুণগত বৈশিষ্ট্যগুলোর ভিত্তিতেই তাঁদের আলোচনা চালাবেন৷ ভাষা-নিরপেক্ষ বিভাগগুলোতে বিচার করার প্রয়োজন পড়বে, কোনো একটি ভাষার ব্লগ সেই ভাষার গণ্ডী ছাড়িয়ে পরিচিত হবার দাবি রাখে কিনা৷ জুরিমণ্ডলী সম্মিলিত আলোচনা এবং নিজেদের মধ্যে ভোটাভুটির ভিত্তিতে ‘জুরি অ্যাওয়ার্ড’ বিজয়ী নির্ধারণ করেন৷

এখানে লেখা প্রয়োজন বর্ণবাদী, পর্নগ্রোফিক, যৌনবৈষম্যবাদী, বিদেশিবিদ্বেষী, ইহুদিবিদ্বেষী, বৈষম্যমূলক বা অপমানজনক বিষয়বস্তুযুক্ত ওয়েবসাইট এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে না৷ ধর্মীয় মৌলবাদ, বিদ্বেষ ছড়ানো, রাজনৈতিক উগ্রবাদ এবং সহিংসতার আহ্বান জানাচ্ছে এমন ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য৷

‘ইউজার প্রাইজ’ বিজয়ী নির্ধারণের মাপকাঠি

শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ভোটের ভিত্তিতে ‘ইউজার প্রাইজ’ বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে৷ এক্ষেত্রে প্রতিটি বিভাগে যে ব্লগ সর্বাধিক ভোট পাবে, সেই বিজয়ী৷