বিষয়বস্তুর দিকে


হু ইয়ং

Hu_yong_1সাংবাদিকতা এবং যোগাযোগ বিষয়ক অধ্যাপক হু ইয়ং ইতোমধ্যে ১৩টি বই লিখেছেন৷ ইন্টারনেট এবং চীনের রাজনীতি, মিডিয়া এবং সাংবাদিকতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে গবেষণা করেছেন তিনি৷

টুইটার: @huyong

ব্লগ: Cool Knowledge


নেইলা নাখাভাটি

leilaমাদ্রিদভিত্তিক লেখক, যোগাযোগ পরামর্শক এবং মানবাধিকার অ্যাক্টিভিস্ট নেইলা নাখাভাটি৷ কার্লোস বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি পিএইচডি ডিগ্রি নিচ্ছেন তিনি৷ বিভিন্ন সংগঠন, সামাজিক আন্দোলন এবং ব্যক্তি উদ্যোগকে সহায়তা করার নেটওয়ার্ক এপিসি ডটঅর্গ-এর সঙ্গে যুক্ত আছেন নেইলা৷ সিরিয়ার নাগরিক আন্দোলনের বিভিন্ন তথ্য নিয়ে তৈরি আর্কাইভ ‘সিরিয়াআনটোল্ড’ প্রকল্পেও অবদান রাখছেন নেইলা নাখাভাটি৷


আলেক্সান্ডার মরোজোভ

morozowরাশিয়ান সাংবাদিক এবং রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট আলেক্সান্ডার মরোজোভ বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন সংবাদমাধ্যমের নিয়মিত কলাম লেখক৷ ২০১১ সালে তিনি ‘রাশিয়ান ম্যাগাজিন’ নামক একটি প্রকল্প শুরু করেন৷ জার্মানির বোখুমে অবস্থিত রুয়র বিশ্ববিদ্যালয়েও পড়ান আলেক্সান্ডার৷ যদিও রাশিয়ায় গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমিত, তা সত্ত্বেও মরোজোভ স্বাধীনভাবে নিজের মত প্রকাশের চেষ্টা করে যাচ্ছেন৷

ফেসবুক


সানাম দোলাতশাহি

sanamসোশ্যাল মিডিয়া এবং সিটিজের জার্নালিজম হচ্ছে সাংবাদিক সানাম দোলাতশাহির মূল আগ্রহের জায়গা৷ লন্ডনে বিবিসির ফার্সি টেলিভিশনে সিনিয়র সাংবাদিক হিসেবে কাজ করছেন তিনি৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত বিভিন্ন বিষয় এবং সাধারণ মানুষের তৈরি কন্টেন্ট নিয়ে প্রতিদিন একটি টকশো-র আয়োজন করেন সানাম৷ ইরানের প্রথমদিককার নারী ব্লগারদের একজন তিনি৷ ২০০১ সালে সানাম চালু করেন তাঁর ‘লেডি সান’ ব্লগ৷ ইরানের প্রথম ফেমিনিস্ট ওয়েবসাইট ‘উইম্যান ইন ইরান’-এর জন্যও কাজ করেন সানাম৷

টুইটার: @khorshid


মাউরিসিও সান্তোরো

mauricioঅ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মানবাধিকার উপদেষ্টা মাউরিসিও সান্তোরো রিও ডি জেনিরো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক৷ সাংবাদিকতায় স্নাতক মাউরিসিও পরবর্তীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেন৷ ‘মডার্ন ডিক্টেটরশিপ’ বইয়ের লেখক মাউরিসিও-র লেখা ব্রাজিল এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশে প্রকাশ হয়েছে৷ টুইটারে অত্যন্ত সক্রিয় তিনি এবং ব্রাজিল পোস্ট পত্রিকার নিয়মত কলাম লেখক৷

টুইটার: @msantoro1978

ওয়েবসাইট: http://www.brasilpost.com.br/mauricio-santoro/ 


ওকসানা রমানইয়ুক

ইউক্রেনে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স-এর প্রতিনিধি ওকসানা রমানইয়ুক৷ বেসরকারি সংগঠন কিয়েভ ইন্সটিটিউট ফর মাস ইনফরমেশন-এর প্রধান তিনি৷ বাকস্বাধীনতা রক্ষা এবং মানুষের তথ্য জানার অধিকার নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছেন৷ সাংবাদিক এবং গণমাধ্যম বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত রমানইয়ুক সাংবাদিকতার মান উন্নয়নসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং নাগরিক আন্দোলন বিষয়ক বিভিন্ন প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত৷


আলিসা ওয়াহিদ

Alissa 01আলিসা ওয়াহিদ একজন প্রশিক্ষিত মনস্তত্ত্বিক যিনি কমিউনিটি উন্নয়ন এবং সামাজে জাগরণ সৃষ্টিতে বিশেষ পারদর্শী৷ ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠনে কাজ করেছেন তিনি৷ বর্তমানে তিনি একটি সামাজিক নেটওয়ার্কের সমন্বয়ক, যার সঙ্গে প্রায় একশো ইন্দোনেশীয় উন্নয়ন সংস্থা এবং কয়েক হাজার ব্যক্তি সম্পৃক্ত রয়েছেন৷ সমাজের উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে আরো বেশি সুযোগ দেওয়ার পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন আলিসা৷

টুইটার: @AlissaWahid


এরকান সাকা

sakaস্তানবুলের বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এরকান সাকা৷ নতুন মিডিয়া সংস্কৃতি এবং সাইবার নৃতত্ত্ব বিষয়ে পড়ান তিনি৷ সেই ২০০৪ সাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে ব্লগ লিখছেন এরকান৷ বিলগি বিশ্ববিদ্যালয়ে নগর সাংবাদিকতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমন্বয়ক তিনি৷ পাশাপাশি নেটড ডটকম-এ নতুন মিডিয়া নিয়ে একটি টিভি অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এরকান সাকা৷

ব্লগ: এরকানসাকাডটনেট
টুইটার: @sakaerka


ফ্লোরিয়ান গিমবিস

FLORIANT NGUIMBISক্যামেরুনের ব্লগার ফ্লোরিয়ান গিমবিস৷ আফ্রিকার ফরাসি ভাষাভাষী অঞ্চলে সার্বাধিক পঠিত ব্লগগুলোর অন্যতম তাঁর ব্লগ৷ মূলত দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকা ক্যামেরুনের শাসকগোষ্ঠীর কড়া সমালোচনা করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন গিমবিস৷ সামাজিক যোগাযোগ ম্যানেজার হিসেবেও কাজ করেন তিনি৷ ব্লগারদের সংগঠন ‘কালেক্টিভ অফ ক্যামেরুনিয়ান ব্লগার্স’-এর প্রেসিডেন্ট ফ্লোরিয়ান নিগিমবিস৷ ক্যামেরুনে আরো সহজলভ্য এবং সস্তা ইন্টারনেটের দাবিতে সংগ্রাম করছে এই সংগঠন৷

ব্লগ: কামের কনগোসা
টুইটার: @ngimbis 


রেনাটা আভিলা

renata_avilaগুয়াতেমালার মানবাধিকার এবং মেধাসত্ত্ব বিষয়ক আইনজীবী রেনাটা আভিলা৷ বাক স্বাধীনতা, তথ্য সুরক্ষা, তথ্য অধিকার এবং আদিবাসীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার তিনি৷ নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী রিগোব্যার্তা মেনচু টুম-এর সঙ্গে গুয়াতেমালার ‘ইউনিভার্সেল জুরিডিকশন জেনোসাইড’ মামলায় কাজ করেছেন রেনাটা৷ বর্তমানে তিনি ‘ওয়েব উই ওয়ান্ট’ প্রচারণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন৷

ওয়েবসাইট: রেনাটা আভিলা
টুইটার: @avilarenata


রোহিনী লক্ষণে

Rohini_Lakshaneশুরুতে রোহিনী ছিলেন শুধু্ই একজন ব্লগার, এখন তিনি সাংবাদিকও৷ উইকিপিডিয়ার উন্নয়নে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি৷ প্রযুক্তি পণ্যের সুব্যবহার থেকে শুরু করে ইন্টারনেটের সঙ্গে লিঙ্গ এবং যৌনতার সম্পর্কের মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখেন তিনি৷

ওয়েবসাইট: রোহিণী
টুইটার: @aldebaran14


ফাল্ক স্টাইনার

Falk-Steinerবলা যায়, ডিজিটাল যন্ত্রপাতির সঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন ফাল্ক স্টাইনার৷ জার্মানির জাতীয় বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র ‘ডয়চল্যান্ডফুংক’-এর সাংবাদিক তিনি৷ মূলত ইন্টারনেট নীতির সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে কাজ করেন বার্লিনের এই বাসিন্দা৷ জাতীয় বেতারে কাজ শুরুর আগে মুক্ত পেশাজীবী হিসেবে বিভিন্ন সংবাদপত্র এবং ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফাল্ক৷ ২০১০ সালে চালু হওয়া ‘এনজিও ডিজিটালে গেসেলসাফ্ট’-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা তিনি৷

ব্লগ: ক্যুলশ্রাংকনোটিৎসেন
টুইটার: @flueke


জর্জিয়া পপেলওয়েল

Georgia Popplewellগ্লোবাল ভয়েসেস-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জর্জিয়া পপেলওয়েল৷ ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর এই নারী একাধারে একজন লেখক, সম্পাদক এবং প্রযোজক৷ তাঁর লেখালেখির মধ্যে সংস্কৃতি, সংগীত, চলচ্চিত্র এবং খেলাধুলা প্রাধান্য পায়৷ ১৯৮৯ সাল থেকে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে কাজ করেছেন তিনি৷ ২০০৫ সালে ‘ক্যারিবিয়ান ফ্রি রেডিও’ চালু হয় তাঁরই হাত ধরে৷

ব্লগ: গ্লোবাল ভয়েসেস অনলাইন
টুইটার: @georgiap


শহিদুল আলম

বাংলাদেশি ব্লগার, আলোকচিত্রি, লেখক, কিউরেটর ও অধিকারকর্মী শহিদুল আলম ফটোগ্রাফিকে পেশা হিসাবে বেছে নেয়ার আগে লন্ডনে রসায়নশাস্ত্রে পিএইচডি করেন৷ ১৯৮৪ সালে দেশে ফিরে পুরোদমে কাজ শুরু করার পর, স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলনের ছবি ধারণ করেন তিনি নিজ ক্যামেরায়৷ বাংলাদেশ ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সাবেক সভাপতি শহিদুল আলমের তোলা ছবি নিউ ইয়র্কের মিউজিয়াম অফ মর্ডান আর্ট (এমওএমএ), প্যারিসের সেন্টার জর্জেস পম্পিডু এবং লন্ডনের টেইট মডার্নের মতো গ্যালারিতে প্রদর্শিত হয়েছে৷ হার্ভার্ড, স্ট্যানফোর্ড, ইউসিএলএ, অক্সফোর্ড ও কেমব্রিজের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি আলোকচিত্র বিষয়ে বক্তৃতা করেছেন৷ যুক্তরাজ্যের রয়্যাল ফটোগ্রাফিক সোসাইটির এই ‘অনারারি ফেলো’ ওয়ার্ল্ড প্রেস ফটো প্রতিযোগিতায় ইন্টারন্যাশনাল জুরি হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন৷ শহিদুল আলমের সর্বশেষ বই নিয়ে লাইফ ম্যাগাজিনের সাবেক পিকচার এডিটর জর মরিসের মন্তব্য, ‘‘একজন আলোকচিত্রীর লেখা এ যাবৎকালের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বই এটি৷’’

সাইট: শহিদুলআলম.কম
টুইটার: @shahidul